আল্লাহর প্রতি ভরসা ও সঠিক দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।
নম্রতা ও বিনয় আমাদের জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়। পক্ষান্তরে এর বিপরীত বৈশিষ্ট্য— অহংকার ও দম্ভ—মানুষকে কেবল জাহান্নামের দিকেই ধাবিত করে। ইবলিসের পতন আমাদের শেখায় কীভাবে অহংকার এবং নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবার মানসিকতা মানুষকে আল্লাহর রহমত থেকে চিরতরে দূরে সরিয়ে দেয়।
প্রতিদিন আপনার ইমেইলে কুরআনের তাফসীর, হাদিস বা মাস’আলা মাসায়েল পেতে যুক্ত হোন হাদিসবিডির গ্রুপে
দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় মাসনুন দোয়া
Islamic Video Playlist
0:16
0:16
0:16
0:16
0:16
0:16
0:16
দ্বীনের আলো ছড়িয়ে দিন
প্রতিদিন আপনার ইমেইলে কুরআনের তাফসীর ও সহীহ হাদিস পেতে চান?
আল-ওয়াকিল-এর সাথে যুক্ত হয়ে আপনার প্রতিদিনের ব্যস্ততার মাঝেও ইমেইলের মাধ্যমে নিয়মিত বিশুদ্ধ দ্বীনি জ্ঞান, মাস'আলা-মাসায়েল ও জীবন গড়ার অনুপ্রেরণামূলক উপদেশ লুফে নিন।
আমাদের ব্লগ গুলো পড়ুন দ্বীন সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান লাভ করুন
বিশুদ্ধ আকীদা কী এবং এর গুরুত্ব কেন বেশি?
সহজ উপায়ে অর্থসহ আল-কুরআন অনুধাবনের উপায়
সহীহ হাদিস চেনার উপায় ও বিশুদ্ধ সুন্নাহর চর্চা
দৈনন্দিন জীবনের জরুরি মাসআলা ও সুন্নাহ সম্মত সমাধান
আপনার সন্তানকে ইসলামিক আদর্শে গড়ে তোলার উপায়
দুশ্চিন্তা ও হতাশা থেকে মুক্তির ইসলামিক দিকনির্দেশনা
কুরআন ও তাফসীর
বই - যেমন ছিলেন তারা - ফ্রী ডাউনলোড
মোবাইলে কুরআন পড়ার কিছু অসাধারন অ্যাপস
আল কুরআনের দিকে ফিরে আসা
হাদিসের গল্পঃ
কুরাআনুল কারিম হিফজ করার ব্যাবহারিক পদ্ধতি
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর
পবিত্র কুরআন ও সহীহ হাদিস নিয়মিত পড়ার পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য আলেমদের লেখা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের বইগুলো দিয়ে ধাপে ধাপে দ্বীনি জ্ঞান অর্জন শুরু করতে পারেন।
প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত ও এর অর্থ অনুধাবন করা ইমানকে মজবুত করে, মনকে শান্ত রাখে এবং আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ককে গভীর করে তোলে।
সালাতে যা পড়া হচ্ছে তার অর্থ বোঝার চেষ্টা করুন, ধীরস্থিরভাবে রুকু-সেজদা আদায় করুন এবং নামাজের চারপাশের সব ধরণের কোলাহল বা মনোযোগ বিঘ্নকারী জিনিস থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।
দোয়া হলো ইবাদতের মগজ। নিয়মিত দোয়া করলে আল্লাহর প্রতি ভরসা ও তাওয়াক্কুল বাড়ে, মনের নেক আশা পূরণ হয় এবং তীব্র মানসিক প্রশান্তি আসে।
দ্বীনি জ্ঞান একজন মুসলিমকে সঠিক ও বিশুদ্ধ উপায়ে ইবাদত করতে সাহায্য করে এবং সমাজ থেকে লোকদেখানো কাজ, শিরক ও বিদআত থেকে বেঁচে থাকতে পথ দেখায়।
প্রতিদিন ছোট ছোট কিন্তু নিয়মিত অভ্যাস দিয়ে শুরু করুন। যেমন—পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো পড়া, সকাল-সন্ধ্যার জিকির করা এবং প্রতিদিন অন্তত ১ পৃষ্ঠা হলেও অর্থসহ কুরআন পড়া।
নামাজ ছুটে গেলে মনে পড়ার সাথে সাথেই আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হয়ে কাজা নামাজ আদায় করে নেওয়া উচিত এবং ভবিষ্যতে যেন আর নামাজ না ছুটে, সে ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্প করা প্রয়োজন।
দুনিয়াবি সব সৎ দায়িত্ব ও হালাল উপার্জনকে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করুন। নিয়ত ঠিক রাখলে আপনার প্রতিটি জাগতিক কাজই আখিরাতের পুঁজিতে পরিণত হবে।
নিয়মিত ফরজ ইবাদতগুলো আদায়ের পাশাপাশি বেশি বেশি নফল সালাত পড়া, একান্তে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা এবং সদা সর্বদা জিকিরের মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ রাখার মাধ্যমে সম্পর্ক মজবুত করা যায়।